• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rajeev Kumar

কলকাতা

‘সাহস মানে গুলি চালানো নয়’—বিদায়বেলায় তীব্র বার্তা রাজ্য পুলিশের ডিজির

সৎ সাহস থাকলে যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভবনিজের বিদায় সংবর্ধনায় এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সাহস মানে গুলি চালানো বা মানুষ মারা নয়। বরং শান্ত থেকে পরিস্থিতি সামলানোই প্রকৃত সাহস। তিনি বলেন, প্রাণহানি ছাড়াই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে সক্ষম হচ্ছে পুলিশ, যা অন্য অনেক রাজ্যের তুলনায় বাংলাকে আলাদা করে তুলে ধরছে।বিদায়ী ভাষণে রাজীব কুমার বলেন, পুলিশকর্মীরা তাঁদের কাজের সূত্রে প্রয়োজনে প্রাণ দিতেও প্রস্তুত থাকেন এবং সেখান থেকেই আসে সৎ সাহস। নানা সমস্যার মধ্যেও যদি এই সৎ সাহস বজায় থাকে, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়। তাঁর কথায়, সাহস মানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, সাহস মানে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।তিনি আরও বলেন, কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। রাজীব কুমারের মতে, ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে বাংলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য। তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকায় এখানে চ্যালেঞ্জও অনেক বেশি। সেই পরিস্থিতিতেও শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পুলিশ যে কাজ করে চলেছে, তা সত্যিই গর্বের বলে মন্তব্য করেন তিনি।৩১ জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের ডিজি হিসেবে রাজীব কুমারের কর্মজীবনের শেষ দিন। তাঁর অবসর ঘিরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষপদ নিয়ে জট আরও বেড়েছে। ক্যাটের নির্দেশের পর ইউপিএসসি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। এর মধ্যেই ইউপিএসসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলেছেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার।রাজ্য সরকার এখনও রাজীব কুমারকেই ডিজি পদে রাখতে চাইছে। সেই কারণে নবান্নের তরফে ইউপিএসসিতে আট জন আইপিএস আধিকারিকের নাম পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে রাজীব কুমারের নামও রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ইউপিএসসির তিন জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রাজ্যকে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা হওয়ায় প্রক্রিয়া থমকে যায়।জানা গিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি রাজ্য সরকার ইউপিএসসিতে ওই আট জনের নাম পাঠায়। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা পাঠানোর আগেই ইউপিএসসি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাসে ক্যাটে মামলা করেছিলেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। তাঁর অভিযোগ ছিল, ইউপিএসসির একটি বৈঠকে রাজ্যের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও রাজীব কুমার, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফের কি রাজীব কুমার? রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদ ঘিরে বড় প্রশ্ন

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর সরকারি বিদায় সংবর্ধনার দিনও ঠিক হয়েছে ২৮ জানুয়ারি। গত দুবছর ধরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হচ্ছেন।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে পুলিশকর্তাদের নাম ডিজি পদের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে রাজীব কুমারের নামও। এর জেরে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁকেই কি আবার ডিজি পদে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি পদের জন্য মোট আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্রস্তাব করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওই তালিকায় রাজীব কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমারও। গত বুধবার এই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সরকার প্রথমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের একটি প্যানেল পাঠায়। সেখান থেকে ইউপিএসসি তিন জনের নাম বেছে রাজ্যকে পাঠায়। ওই তিন জনের মধ্য থেকেই রাজ্য সরকার একজনকে স্থায়ী ডিজি হিসেবে নিয়োগ করে।রাজ্যের পাঠানো তালিকায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার, আইপিএস রাজেশ কুমার এবং আরও ছয় জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার রণবীর কুমার, দেবাশিস রায়, অনুজ শর্মা, জগমোহন, এন রমেশ বাবু ও সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। একটি সূত্রের দাবি, পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য পীযূষ পাণ্ডে, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। পীযূষ পাণ্ডে প্রাক্তন এসপিজি অফিসার এবং বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এই তিন জনের মধ্য থেকেই যে পরবর্তী ডিজি হবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের শেষ স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালব্য। তিনি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। নিয়ম অনুযায়ী, ডিজি অবসরের সময় রাজ্যের যে আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামই ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের নামও তালিকায় রয়েছে।এর আগে স্থায়ী ডিজি নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকার একবার নামের তালিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রক্রিয়া আটকে যায়। ইউপিএসসি জানায়, ডিজি অবসরের অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠানো উচিত ছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকা পাঠাতে হত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই তালিকা পাঠিয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। ফলে সেই প্যানেল ফেরত পাঠানো হয়।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন আইপিএস রাজেশ কুমার। ১৯৯০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার বর্তমানে রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুই দিনের মধ্যেই কর্মজীবন শেষ রাজীব কুমারের! রাজ্যকে কড়া নির্দেশ ক্যাটের

আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের কর্মদিবসের শেষ দিন। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রাইবুনাল। বুধবার আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারের মামলার প্রেক্ষিতে ক্যাট জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই স্থায়ী ডিজি নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।ক্যাটের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ই-মেল এবং বিশেষ বাহকের মাধ্যমে ইউপিএসসির কাছে ডিজিপি বা হেড অফ পুলিশ ফোর্স পদের জন্য এমপ্যানেলমেন্টের প্রস্তাব নতুন করে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে ইউপিএসসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এমপ্যানেলমেন্ট কমিটির বৈঠক ডেকে নিয়ম মেনে প্যানেল চূড়ান্ত করতে হবে। সেই প্যানেল ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হবে। প্যানেল হাতে পাওয়ার পর রাজ্য সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।অর্থাৎ কার্যত আগামী পরশুর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজি নিয়োগ নিয়ে ইউপিএসসির কাছে প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য রাজ্য সরকার। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থায়ী ডিজি মনোজ মালব্য অবসর নেওয়ার পর থেকে রাজ্যে আর স্থায়ী ডিজি নিয়োগ হয়নি। সেই সময় কোনও প্যানেল না পাঠিয়েই রাজীব কুমারকে ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব দেয় রাজ্য সরকার।এই কারণেই ইউপিএসসি এখনও ২০২৩ সালের ডিসেম্বরকেই ডেট অব ভ্যাকেন্সি হিসেবে ধরে রেখেছে। যদিও ২০২৫ সালে রাজ্য সরকার দুবার ইউপিএসসির কাছে প্যানেল পাঠিয়েছিল, কিন্তু সেই প্যানেল গ্রহণ না করে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিতে বলে ইউপিএসসি। বিষয়টি নিয়ে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানির দ্বারস্থ হয় কমিশন।অ্যাটর্নি জেনারেলের পরামর্শ ছিল, রাজ্য সরকারকে আগে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শীর্ষ আদালত অনুমতি দিলে তবেই ইউপিএসসির পক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ করা সম্ভব। সেই অবস্থার মধ্যেই ক্যাটের এই নির্দেশ নতুন করে চাপ বাড়াল রাজ্য সরকারের উপর। এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে বড় পদক্ষেপ ইডির, ডিজি রাজীব কুমারের সাসপেনশন চাইল কেন্দ্র

আইপ্যাক তল্লাশি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আরও একধাপ এগোল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির আগেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শীর্ষ আদালতে নতুন করে একটি আবেদন জমা দিয়েছে। সেই আবেদনে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ডিজি রাজীব কুমারকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছে ইডি।ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ডিজি নন, আইপ্যাক তল্লাশির সময় যাঁরা যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ইডির অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক গুরুতর অসদাচরণ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেননি। এর ফলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি ইডির।ইডি আরও অভিযোগ করেছে, ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার নজির এই প্রথম নয়। অতীতে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসেছিলেন, তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন রাজীব কুমার। সেই সময় তিনিও ধরনায় বসেছিলেন, যা একজন আইপিএস অফিসারের দায়িত্ব ও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।এই আবেদনে ইডি সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য।এ বিষয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ সরকার বলেন, রাজনীতি আর প্রশাসনকে আলাদা রাখা জরুরি। কিন্তু তৃণমূলের শাসনে সেই সীমারেখা মেনে চলা হয় না। এবার তার ফল ভোগ করতে হবে।উল্লেখ্য, আইপ্যাক কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে মোট দুটি মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলায় ইডি নিজে আবেদনকারী। অন্য মামলাটি করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে পক্ষ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তার আগেই ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাল ইডি।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

গোড়ালি জলে শুটিং, তবু মৃত্যু! রাহুল কাণ্ডে নতুন রহস্য, মুখ খুললেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে। শুটিং চলাকালীন আকস্মিক দুর্ঘটনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এখনও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তালসারির সমুদ্র সৈকতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান সামনে আসছে। এর মধ্যেই লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নতুন করে রহস্য বাড়িয়েছে।তিনি জানিয়েছেন, যে দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল, তাতে গভীর জলে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। শুধু গোড়ালি পর্যন্ত জলে হাঁটার একটি দৃশ্য ছিল। সেই জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কেন রাহুল সমুদ্রের দিকে আরও এগিয়ে গেলেন।একই কথা বলেছেন ধারাবাহিকের কার্যনির্বাহী প্রযোজক শান্তনু নন্দীও। তিনি যদিও দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে ইউনিটের কাছ থেকে যা জেনেছেন, তা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, মূল শুটিং প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। শুধু একটি ড্রোনে তোলা দৃশ্য বাকি ছিল। সেই দৃশ্যও খুব অল্প জলে হওয়ার কথা ছিল।তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী একটু একটু করে সামনে এগোচ্ছিলেন। ইউনিটের তরফ থেকে তাঁদের বারবার বলা হচ্ছিল, আর এগোতে না। ঠিক সেই সময় হঠাৎ একটি বড় ঢেউ এসে পড়ে। ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই জলে পড়ে যান।এরপরই ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে দ্রুত টেনে তোলা হলেও রাহুল কিছুটা বেশি দূরে চলে গিয়েছিলেন। পরে নিরাপত্তা নৌকায় থাকা কয়েকজন জলে নেমে দড়ির সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করেন।তাঁর কথায়, পাড়ে তোলার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শরীর থেকে জল বের করার চেষ্টা করা হয় এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় পর্যন্ত নাকি রাহুলের জ্ঞান ছিল এবং তিনি কথা বলছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।এই সব ভিন্ন ভিন্ন বয়ান মিলিয়ে পুরো ঘটনাকে ঘিরে ধোঁয়াশা আরও ঘন হচ্ছে। এখন সকলের একটাই প্রশ্ন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

জল থেকে তোলার পরও কি বেঁচে ছিলেন রাহুল? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে নতুন চাঞ্চল্য

রবিবার ওড়িশার তালসারিতে শুটিং চলাকালীন কীভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। দুর্ঘটনার পর তাঁকে জল থেকে তোলার সময় তাঁর শরীরে প্রাণ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সামনে এল এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, যা নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।অভিনেতার গাড়িচালক বাবলু দাস, যিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তিনি জানিয়েছেন সেই দিনের কথা। তিনি বলেন, রবিবার ভোর থেকেই তালসারির সমুদ্র সৈকতে ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হয়েছিল। বিকেলের দিকে যখন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন শুটিং প্রায় শেষের পথে। তাঁর কথায়, সেটাই ছিল শেষ দৃশ্যের শুটিং।বাবলুর দাবি, জল থেকে তোলার পর রাহুলকে সমুদ্রের ধারে আনা হয় এবং তাঁর শরীরে ঢুকে যাওয়া জল বের করার চেষ্টা করা হয়। কিছুটা জল বেরিয়েও আসে। সেই সময় নাকি তাঁর শ্বাস চলছিল বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।তিনি আরও জানান, শুটিংয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের সদস্যরাই দ্রুত জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রীকে উদ্ধার করেন। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো গেল না, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে একাধিক তত্ত্ব সামনে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শীর এই বয়ান নতুন করে সেই ধোঁয়াশা আরও বাড়িয়ে দিল। এখন সকলেই জানতে চাইছেন, ঠিক কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহ? পাশকুড়া থেকেই কড়া বার্তা মমতার—‘এভাবে বিরোধিতা মেনে নেওয়া হবে না’

প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একাধিক জায়গায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে সামাল দিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশকুড়ায় এক সভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, টিকিট না পেয়ে বিরোধিতা করা একেবারেই ঠিক নয়।মমতা বলেন, অনেক জায়গায় আগের প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। মহিলাদের সুযোগ দিতে হবে, সংখ্যালঘুদেরও জায়গা দিতে হবে। কেউ যদি ভাবেন, সবসময় একাই থাকবেন, তা ভুল। দল সবার জন্য, সবাইকে নিয়েই চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, যারা ভাল কাজ করবেন, তারাই সুযোগ পাবেন। কিন্তু কাজ না করলে দলকে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। তাই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।সংখ্যালঘু প্রার্থী নিয়ে কিছু জায়গায় যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়েও কথা বলেন মমতা। তিনি জানান, কোনও ভেদাভেদ নেই। কোনও প্রার্থীকে শুধু ধর্ম দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, কেউ যেন না ভাবে কোনও প্রার্থী শুধুমাত্র মুসলমান বলেই তাঁকে আলাদা করে দেখা হবে। তাঁর কথায়, তিনি যদি দলের নেতা হন, তবে তাঁর কাছে সব ধর্মের মানুষ সমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনওদিন কি মুসলমানরা তাঁকে ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে বলে প্রশ্ন তুলেছে? যদি না তুলে থাকে, তাহলে সংখ্যালঘু প্রার্থী হলে হিন্দুরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন কেন? এতে তাঁরই অসম্মান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি আসনই তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। গত সতেরোই মার্চ তালিকা ঘোষণার পর এই ক্ষোভ সামনে আসে। এবার প্রায় চুয়াত্তর জন বর্তমান বিধায়ককে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেক জায়গায় তাঁদের অনুগামীরা প্রতিবাদে নেমেছেন। কোথাও কোথাও নতুন মুখ বা তরুণ প্রার্থী দেওয়ায় পুরনো নেতারা অসন্তুষ্ট। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য এলাকা থেকে প্রার্থী দেওয়ায় বহিরাগত অভিযোগ উঠছে।এর আগেও একই ছবি দেখা গেছে মুর্শিদাবাদের নওদায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। ব্লক সভাপতিকে প্রার্থী না করায় তাঁর সমর্থকেরা ক্ষোভ দেখান। চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে সভামঞ্চ থেকেই বিক্ষোভকারীদের কড়া সতর্কবার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করে দলকে চাপে ফেলতে চান, তাহলে দল তা মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয়ে তাঁর কড়া নজর রয়েছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট, সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

ফুলে ঢাকা দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল বিজয়গড়! শেষবারের মতো ‘বাবিন’কে দেখে স্তব্ধ পাড়া

গোটা বিজয়গড় এখন শোকে স্তব্ধ। চারদিকে শুধু কান্নার শব্দ। কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাঁদের প্রিয় বাবিন আর নেই। এমন দৃশ্য যে দেখতে হবে, তা কোনওদিন কল্পনাও করেননি পাড়ার মানুষ। গত রাত থেকেই ভারী হয়ে ছিল পরিবেশ। আজ সেই নীরবতা ভেঙে চারদিকে শুধুই শোক আর আর্তনাদ।আজ সকালে রাহুলের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে। ফুল দিয়ে সাজানো শববাহী গাড়িতে করে নিজের পাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। জীবনের মঞ্চে যিনি নায়ক ছিলেন, তিনি আজ নীরব হয়ে শুয়ে রইলেন সবার সামনে।সকাল থেকেই রাহুলের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুরাগীরা। একে একে পৌঁছে যান তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, উষসী চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মৈত্র, চৈতী ঘোষাল, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুকমা রায়ের মতো অনেকেই এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকলের চোখে জল, মুখে একটাই কথাএভাবে বিদায় জানাতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি।রবিবার আচমকা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকে ডুবে যায় টলিউড। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে সবার সামনে তিনি জলে তলিয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনও সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তাঁর ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে নোনাজল ঢুকে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বালিও ঢুকে যায় শরীরে। এর ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীরা উত্তর খুঁজছেন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। শোকের মধ্যেই এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে সবার মনে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

তালসারির শান্ত সমুদ্রে কীভাবে ডুবে মৃত্যু রাহুলের? অনুমতি ছাড়াই শুটিং, উঠছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন

রবিবার, ২৯ মার্চ ওড়িশার তালসারি সমুদ্র সৈকতে শুটিং চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুলের। একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েই এই বিপর্যয় ঘটে। সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।জানা গিয়েছে, ভোলে বাবা পার করবে ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল তালসারিতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই শুটিংয়ের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি সমুদ্রে নেমে শুটিং করারও কোনও অনুমোদন ছিল না। পুলিশের দাবি, প্রোডাকশন টিম এই বিষয়ে প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি।পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাটি বিকেল প্রায় পাঁচটা তিরিশ মিনিট নাগাদ ঘটে। শুটিং চলাকালীন রাহুল ও তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র হাঁটু সমান জলে নাচছিলেন। হঠাৎই তারা একটি গভীর গর্তে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে দিঘার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু রাহুলকে বাঁচানো যায়নি।এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। ইউনিটের দাবি, খুব অল্প জলে শুটিং হচ্ছিল। কিন্তু সেই অবস্থায় কীভাবে এমন বিপদ হল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, তালসারি সৈকতে চোরাবালির মতো বিপজ্জনক অংশ রয়েছে। অনেকের অনুমান, সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা জানিয়েছেন, তিনিও জলে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনওভাবে তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, রাহুল ভেসে যান। কেন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা গেল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।ঘটনাকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনাও সামনে এসেছে। শুটিংয়ের ম্যানেজার দাবি করেছেন, কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরিচালক জানিয়েছেন, তখনও কিছু দৃশ্যের শুটিং বাকি ছিল। এই পরিস্থিতিতে রাহুল কীভাবে সমুদ্রে এগিয়ে গেলেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত বড় শুটিং ইউনিট থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। লাইফগার্ড বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে সমুদ্রের ধারে শুটিং চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।আজ তমলুক মেডিক্যাল কলেজে রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর তাঁর দেহ কলকাতায় আনা হবে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ এবং পুরো বিষয়টি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal